Sign Up

What is the capital of Egypt? ( Cairo )

Have an account? Sign In Now

Sign In

What is the capital of Egypt? ( Cairo )

Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

What is the capital of Egypt? ( Cairo )

Have an account? Sign In Now

You must login to ask a question.

What is the capital of Egypt? ( Cairo )

Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

You must login to add post.

What is the capital of Egypt? ( Cairo )

Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Sign InSign Up

বাংলা প্রশ্নোত্তর

বাংলা প্রশ্নোত্তর Logo বাংলা প্রশ্নোত্তর Logo

বাংলা প্রশ্নোত্তর Navigation

  • প্রথম পাতা
  • তথ্য ভান্ডার
  • চলমান ঘটনা প্রবাহ
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
  • English
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • প্রথম পাতা
  • তথ্য ভান্ডার
  • চলমান ঘটনা প্রবাহ
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
  • English

নিজে জানুন, অন্যকে জানান

জ্ঞান শেয়ার করা একটি সহৎ এবং সেবামূলক কাজ। তাই আপনার জ্ঞানের পরিধিকে সমৃদ্ধ করতে প্রশ্ন করুন এবং আপনার অর্জিত জ্ঞানকে অন্যের উপকারে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন।

নতুন একাউন্ট খুলুন
  • Recent Questions
  • Most Answered
  • Bump Question
  • Answers
  • Most Visited
  • Most Voted
  • No Answers
  1. Asked: September 15, 2025In: জীবনধারা

    শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় মনোযোগ বাড়ানোর জন্য কী করতে পারে?

    একায়বান
    একায়বান নবাগত
    Added an answer on October 10, 2025 at 4:10 AM

    পরীক্ষার সময় মনোযোগ ধরে রাখা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবন, সামাজিক মিডিয়ার প্রলোভন, এবং বাড়ির পরিবেশ প্রায়ই শিক্ষার্থীর পড়ার মনোযোগ ভেঙে দেয়। তবে সঠিক কৌশল ও পরিকল্পনার মাধ্যমে মনোযোগ বৃদ্ধি করা সম্ভব এবং পড়াশোনার ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা যায়। প্রথমRead more

    পরীক্ষার সময় মনোযোগ ধরে রাখা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবন, সামাজিক মিডিয়ার প্রলোভন, এবং বাড়ির পরিবেশ প্রায়ই শিক্ষার্থীর পড়ার মনোযোগ ভেঙে দেয়। তবে সঠিক কৌশল ও পরিকল্পনার মাধ্যমে মনোযোগ বৃদ্ধি করা সম্ভব এবং পড়াশোনার ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা যায়। প্রথমেই, একটি শান্ত এবং ব্যস্ততা মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা অপরিহার্য। শিক্ষার্থীরা যদি পড়ার সময় ফোন, ট্যাব বা কম্পিউটার ব্যবহার না করে এবং আশেপাশে শব্দহীন পরিবেশ তৈরি করতে পারে, তবে মনোযোগ স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীভূত হয়।

    পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো সময় ব্যবস্থাপনা। Pomodoro বা টাইম ব্লকিং পদ্ধতি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুবই কার্যকর। উদাহরণস্বরূপ, ২৫–৩০ মিনিটের জন্য সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়া এবং পরে ৫ মিনিট বিরতি নেওয়া মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে। দীর্ঘ সময় ধরে একটানা পড়ার চেয়ে এই পদ্ধতি মনোযোগ ধরে রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে। এছাড়াও, শিক্ষার্থীরা যদি প্রতিদিনের পড়ার জন্য একটি সূচি বা সময়সূচি তৈরি করে, তবে তারা কোন বিষয় কখন পড়বে তা সহজে বুঝতে পারে, এবং একাধিক বিষয়ে সমন্বয় করার সময় মনোযোগের অভাব দেখা দেয় না। এ

    শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ হ্রাস পায়, তাই পরীক্ষার সময় ৭–৮ ঘণ্টার ঘুম নিশ্চিত করা উচিত। এছাড়াও, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, যথাযথ জলপান, এবং হালকা ব্যায়াম মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়াম, যেমন যোগা, হালকা দৌড় বা হাঁটা, মানসিক চাপ কমায় এবং মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে।

    পড়ার সময় মনোযোগ ধরে রাখতে কিছু অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, প্রতিটি অধ্যায় পড়ার আগে লক্ষ্য নির্ধারণ করা, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নোট করা, এবং পড়া শেষ হলে স্ব-মূল্যায়ন করা। শিক্ষার্থীরা যদি নিজেদের জন্য ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এবং সেগুলো অর্জনের পর নিজেকে পুরস্কৃত করে, তবে মনোযোগ আরও বাড়ে। পাশাপাশি, বিরতি নেয়ার সময় সামাজিক মিডিয়া বা ফোন ব্যবহার না করে, হালকা হাঁটা বা চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নেওয়া মনোযোগকে পুনরায় শক্তিশালী করে।

    সবশেষে, মানসিক প্রস্তুতি এবং ধৈর্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার চাপ অনেক শিক্ষার্থীর মনোযোগ নষ্ট করে দিতে পারে। তবে ধীরে ধীরে পরিকল্পিতভাবে পড়াশোনা করলে, মনোযোগ বজায় রাখা সম্ভব এবং ফলাফলও ভালো হয়। মনে রাখতে হবে, মনোযোগ ধরে রাখা শুধু পড়াশোনার জন্য নয়, এটি একজন শিক্ষার্থীর সার্বিক মানসিক বিকাশেও সাহায্য করে। সুতরাং, শান্ত পরিবেশ তৈরি, সময় ব্যবস্থাপনা, শারীরিক ও মানসিক যত্ন, এবং লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় তাদের মনোযোগ বাড়াতে এবং ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারে।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  2. Asked: August 19, 2025In: স্বাস্থ্য ও সুস্থতা

    জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে?

    একায়বান
    একায়বান নবাগত
    Added an answer on October 10, 2025 at 4:01 AM
    This answer was edited.

    জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে? “জাঙ্ক ফুড” বলতে সাধারণত অতিরিক্ত তেল-চর্বি, ট্রান্স-ফ্যাট, চিনি, রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, অতিরিক্ত লবণ এবং নানা কৃত্রিম অ্যাডিটিভে ভরা খাবার বোঝায়—যেমন ডিপ-ফ্রাইড স্ন্যাকস, বার্গার, পিৎজা, প্রসেসড মিট, মিষ্টি পানীয় বা প্যাকেটজাত মিষ্টিRead more

    জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে?

    “জাঙ্ক ফুড” বলতে সাধারণত অতিরিক্ত তেল-চর্বি, ট্রান্স-ফ্যাট, চিনি, রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, অতিরিক্ত লবণ এবং নানা কৃত্রিম অ্যাডিটিভে ভরা খাবার বোঝায়—যেমন ডিপ-ফ্রাইড স্ন্যাকস, বার্গার, পিৎজা, প্রসেসড মিট, মিষ্টি পানীয় বা প্যাকেটজাত মিষ্টি ইত্যাদি। এগুলো তাত্ক্ষণিকভাবে স্বাদ ও তৃপ্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ভেতরে নীরবে একাধিক ক্ষতিকর পরিবর্তন ঘটাতে পারে, যা ধীরে ধীরে বড় স্বাস্থ্যসমস্যার দিকে ঠেলে দেয়।

    ১) ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিক সিন্ড্রোম

    জাঙ্ক ফুডে ক্যালরি বেশি কিন্তু পুষ্টিগুণ কম। অতিরিক্ত ক্যালরি সহজে জমে গিয়ে ভিসারাল ফ্যাট বাড়ায়—যা কোমরের আশেপাশে চর্বি হিসেবে দেখা দেয় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ব্লাড সুগার ওঠানামা, উচ্চ রক্তচাপ ও অস্বাভাবিক লিপিড প্রোফাইলের ঝুঁকি বাড়ায়। সময়ের সঙ্গে এ অবস্থা মেটাবলিক সিন্ড্রোমে রূপ নিতে পারে, যা টাইপ–২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের বড় পূর্বাভাস।

    ২) হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি

    ট্রান্স-ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার LDL (খারাপ) কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং HDL (ভালো) কোলেস্টেরল কমায়। পাশাপাশি অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়াতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এই ধরণ বজায় থাকলে ধমনীতে প্লাক জমা, প্রদাহ বৃদ্ধি এবং শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

    ৩) মস্তিষ্ক, মনোযোগ ও মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব

    চিনি ও রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট রক্তে গ্লুকোজ হঠাৎ বাড়ায়, আবার দ্রুত নামিয়ে দেয়—ফলে ক্লান্তি, মাথা ঝিমঝিম, মুড-সুইং, বিরক্তি এবং মনোযোগে সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের খাবার মস্তিষ্কে প্রদাহের প্রবণতা বাড়াতে এবং স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    ৪) হজম ও গাট মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য নষ্ট

    ফাইবার-স্বল্প ও প্রসেসড খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৈচিত্র্য কমিয়ে দেয়। এতে হজমের সমস্যা, পেট ফাঁপা, অনিয়মিত মলত্যাগের মতো বিষয় বাড়তে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও দুর্বল হতে পারে। গাট–ব্রেইন অ্যাক্সিসের কারণে এ ভারসাম্যহীনতা মুড ও ঘুমেও প্রভাব ফেলতে পারে।

    ৫) ত্বক, দাঁত ও হরমোনের ওপর প্রভাব

    অতিরিক্ত চিনি ও তেলযুক্ত খাবার ইনফ্লেমেশন বাড়িয়ে ব্রণ বা ত্বকের জ্বালা বাড়াতে পারে। মিষ্টি পানীয় ও স্টিকি স্ন্যাকস দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে ক্যাভিটি বাড়ায়। তাছাড়া অনিয়ন্ত্রিত জাঙ্ক ফুডের কারণে ইনসুলিন ও কর্টিসলসহ বিভিন্ন হরমোনে ওঠানামা হতে পারে, যা ঘুম, স্ট্রেস ও ক্ষুধা–তৃপ্তির সিগন্যালকে ব্যাহত করে।

    ৬) ‘হ্যাবিট লুপ’ ও দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতা

    জাঙ্ক ফুড সাধারণত হাইপালেটেবল—অর্থাৎ অতিরিক্ত স্বাদ, লবণ, চিনি দিয়ে মস্তিষ্কে ডোপামিন রিওয়ার্ড ট্রিগার করে। ফলে “খেতে ইচ্ছে করছে” → “খাচ্ছি” → “আবার খেতে ইচ্ছে”—এমন এক লুপ তৈরি হয়। এই অভ্যাস না ভাঙলে সময়ের সাথে পরিমাণ বাড়ে এবং আগের সব ঝুঁকি বহুগুণে বাড়ে।

    কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন (বাস্তব কয়েকটি টিপস)

    (ক) সপ্তাহে নির্দিষ্ট “ট্রিট ডে” ঠিক করে দিন, বাকি দিনগুলোতে বাসায় সহজ, পুষ্টিকর খাবার রাখুন। (খ) প্লেটে অর্ধেক অংশ সবজি/সালাদ, এক-চতুর্থাংশ প্রোটিন, এক-চতুর্থাংশ হোল-গ্রেইন রাখার চেষ্টা করুন। (গ) মিষ্টি পানীয়ের বদলে পানি/লেবু পানি নিন। (ঘ) প্যাকেটের ইনগ্রেডিয়েন্ট লিস্ট পড়ার অভ্যাস করুন—ট্রান্স-ফ্যাট, হাই-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ, অতিরিক্ত সোডিয়াম আছে কি না দেখুন। (ঙ) ক্ষুধা সামলাতে বাদাম, ফল, দইয়ের মতো ‘রিয়েল ফুড’ হাতের কাছে রাখুন।

    নোট: এটি সাধারণ স্বাস্থ্য–শিক্ষামূলক লেখা; আপনার যদি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা বিশেষ কোনো উপসর্গ থাকে, তাহলে ব্যক্তিগত পরামর্শের জন্য নিবন্ধিত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  3. Asked: July 19, 2025In: বিশ্ববিদ্যালয়

    BSS full meaning কি হবে ?

    Akash
    Akash ব্যাখ্যাকারী
    Added an answer on July 19, 2025 at 10:56 PM

    B.S.S. বা বি.এস.এস. এর  full meaning হলো-   Bachelor of Social Science / ব্যাচেলর অফ সোস্যাল সাইন্স । এটি একটি অনার্স বা ব্যাচেলর ডিগ্রী। নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে অধ্যয়ন করলে বি.এস.এস ডিগ্রী অর্জন করা যায়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো — ১. অর্থনীতি ২. সমাজ বিজ্ঞান ৩. সমাজ কর্ম ৪. গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতাRead more

    B.S.S. বা বি.এস.এস. এর  full meaning হলো-   Bachelor of Social Science / ব্যাচেলর অফ সোস্যাল সাইন্স । এটি একটি অনার্স বা ব্যাচেলর ডিগ্রী। নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে অধ্যয়ন করলে বি.এস.এস ডিগ্রী অর্জন করা যায়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো —

    ১. অর্থনীতি

    ২. সমাজ বিজ্ঞান

    ৩. সমাজ কর্ম

    ৪. গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা

    ৫. গ্রন্থাগার বিজ্ঞান

    ৭. গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা

    ৮. আন্তজার্তিক সম্পর্ক

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  4. Asked: July 19, 2025In: ঔষধ

    amilin 10 কিসের ঔষধ ?

    Akash
    Akash ব্যাখ্যাকারী
    Added an answer on July 19, 2025 at 10:45 PM

    বিষন্নতাজনিত অসুস্থতায় ঘুম, বিশেষত মানসিক দুশ্চিন্তায় ঘুম এবং মূত্রের বেগ ধারণে অক্ষমতা বিশেষত শিশুদের রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রত্যাগের চিকিৎসায় amilin 10 ব্যবহৃত হয়। এমিলিন খাওয়ার নিয়ম- বিষন্নতায় : ২৫-৫০ মি.গ্রা. প্রতিদিন বিভক্তমাত্রায় ও একক মাত্রায় ঘুমানাের পূর্বে। রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রRead more

    বিষন্নতাজনিত অসুস্থতায় ঘুম, বিশেষত মানসিক দুশ্চিন্তায় ঘুম এবং মূত্রের বেগ ধারণে অক্ষমতা বিশেষত শিশুদের রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রত্যাগের চিকিৎসায় amilin 10 ব্যবহৃত হয়।

    এমিলিন খাওয়ার নিয়ম-

    বিষন্নতায় : ২৫-৫০ মি.গ্রা. প্রতিদিন বিভক্তমাত্রায় ও একক মাত্রায় ঘুমানাের পূর্বে।

    রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রত্যাগ: ৬-১০ বছর: ১০২০ মি.গ্রা. ঘুমানাের পূর্বে।

    ১১-১৬ বছর: ২৫-৫০ মি.গ্রা. ঘুমানাের পূর্বে ৩ মাস পর্যন্ত।

    পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-

    রক্ত চাপ কমে যাওয়া, সিনকোপ, tবুক ধড়ফড় করা, হেলুসিনেশন, আলােক সংবেদনশীলতা, মাথা ঝিম ঝিম করা, দুর্বলতা, অবসাদ এবং ওজন কমে যাওয়া।

    সতর্কতা-

    ইহা মৃগীরােগের ইতিহাস আছে এমন রােগীদের ক্ষেত্রে, গ্লুকোমা, মূত্র প্রতিবন্ধকতা, কার্ডিয়াক অসুস্থতা, বহুমূত্র, গর্ভাবস্থায়, যকৃতের অস্বাভাবিকতা, থায়রয়েড সমস্যা, ইন্ট্রাঅকুলার প্রেসার বৃদ্ধিজনিত সমস্যা এবং মানসিক অসুস্থতার ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।

    অতিরিক্ত ব্যাবহারের জন্য নয়। চিকিৎসক অনুযায়ী সেব্য।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  5. Asked: July 12, 2025In: চিকিৎসা

    মেন্স রেগুলার হওয়ার জন্য normens tablet কতদিন খেতে হবে?

    Ponditmosai
    Ponditmosai পন্ডিত
    Added an answer on July 12, 2025 at 11:18 PM

    যাদের মাসিক অনিয়মিত তাদের নিয়মিত করার জন্য ২১ দিন করে টানা ০৩ মাসিক চক্র বা ০৩ মাস খেতে বলা হয়। অথাৎ ২১ দিন খাবার পর বন্ধ করবে ২/১ দিনের মধ্যেই মাসিক শুরু হবে৷ ০৩ থেকে ০৫ দিন যে কয় দিন'ই মাসিক থাকুক না কেনো ৭দিন বন্ধ রাখবে,,,,,এর পর আবার খাওয়া শুরু করবে টানা ২১ দিন আবারো ৭ দিন বন্ধ করে আবারো টানা ২১Read more

    যাদের মাসিক অনিয়মিত তাদের নিয়মিত করার জন্য ২১ দিন করে টানা ০৩ মাসিক চক্র বা ০৩ মাস খেতে বলা হয়।

    অথাৎ ২১ দিন খাবার পর বন্ধ করবে ২/১ দিনের মধ্যেই মাসিক শুরু হবে৷ ০৩ থেকে ০৫ দিন যে কয় দিন’ই মাসিক থাকুক না কেনো ৭দিন বন্ধ রাখবে,,,,,এর পর আবার খাওয়া শুরু করবে টানা ২১ দিন আবারো ৭ দিন বন্ধ করে আবারো টানা ২১ দিন,,,,,

    তাহলে ২১ দিন করে ০৩ বার হচ্ছে বা ০৩ মাসিক চক্র হচ্ছে৷ এভাবে খেতে পারলে তার মাসিক নিয়মিত হওয়ার সুযোগ সর্বোচ্চ।

    সেই রোগীর বয়স,ওজন,উচ্চতা, অবস্থা,অবস্থান,সমস্যার গুরুত্বতা,আর্থিক অবস্থা সব কিছু বিবেচনা করে রোগী ২ বেলা বা ৩ বেলা করে এই ঔষধ খেতে বলা হয়।

    বি:দ্র: চিকিৎসক এর পরামর্শ ব্যাতীত কোন ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়৷

    See less
      • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  6. Asked: July 12, 2025In: ঔষধ

    pevisone cream কিসের মলম?

    Akash
    Akash ব্যাখ্যাকারী
    Added an answer on July 12, 2025 at 11:13 PM

    pevisone cream হচ্ছে মূলত একটি এন্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং এন্টি-ফাঙ্গাল জাতীয় ওষুধ। যা ত্বকের বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকর ফাঙ্গাল সংক্রমণ এবং প্রদাহজনিত সমস্যার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। 

    pevisone cream হচ্ছে মূলত একটি এন্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং এন্টি-ফাঙ্গাল জাতীয় ওষুধ। যা ত্বকের বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকর ফাঙ্গাল সংক্রমণ এবং প্রদাহজনিত সমস্যার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। 

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  7. Asked: July 12, 2025In: সাধারণ জ্ঞান

    1 মিলিয়ন সমান কত টাকা ?

    Akash
    Akash ব্যাখ্যাকারী
    Added an answer on July 12, 2025 at 11:11 PM

    ১ মিলিয়ন মানে ১০ লক্ষ টাকা। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় 1 million, সেটি বাংলাতে ১০ লক্ষ (১০,০০,০০০) এর সমান। সুতরাং, ১ মিলিয়ন টাকা = ১০ লক্ষ টাকা।

    ১ মিলিয়ন মানে ১০ লক্ষ টাকা। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় 1 million, সেটি বাংলাতে ১০ লক্ষ (১০,০০,০০০) এর সমান। সুতরাং, ১ মিলিয়ন টাকা = ১০ লক্ষ টাকা।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
Load More Answers

Sidebar

প্রশ্ন করুন

Stats

  • Questions 190
  • Answers 188
  • Best Answers 0
  • Users 227

LIVE ক্রিকেট স্কোর বোর্ড

Live Cricket Scores
  • Popular
  • Answers
  • রুদ্রাক্ষ

    লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের জনক কে ?

    • 3 Answers
  • Anonymous

    শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় মনোযোগ বাড়ানোর জন্য কী করতে পারে?

    • 2 Answers
  • Ponditmosai

    007 mane ki ?

    • 2 Answers
  • sajedul
    sajedul added an answer good October 12, 2025 at 5:05 AM
  • একায়বান
    একায়বান added an answer পরীক্ষার সময় মনোযোগ ধরে রাখা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি বড়… October 10, 2025 at 4:10 AM
  • একায়বান
    একায়বান added an answer জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে? “জাঙ্ক… October 10, 2025 at 4:01 AM

Top Members

Akash

Akash

  • 28 Questions
  • 150 Points
ব্যাখ্যাকারী
রুদ্রাক্ষ

রুদ্রাক্ষ

  • 57 Questions
  • 149 Points
পন্ডিত
Baby Akter

Baby Akter

  • 45 Questions
  • 140 Points
পন্ডিত

Trending Tags

chocolate day job operation devil hunt skill অপারেশন ডেভিল হান্ট ইনকিলাব জিন্দাবাদ ইসলামের অর্থ ঔষধ খাদ্য খাদ্যাভ্যাস চকলেট ডে জিমেইল খোলা জীবনধারা প্রেরণা বঙ্গবন্ধু টানেল মানসিক স্বাস্থ্য সরকারি সাধারণ জ্ঞান ২০২৫ ঈদের তারিখ ২০২৫ রমজান শুরুর তারিখ

Recent Comments

  1. sajedul on শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় মনোযোগ বাড়ানোর জন্য কী করতে পারে?
  2. একায়বান on শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় মনোযোগ বাড়ানোর জন্য কী করতে পারে?
  3. একায়বান on জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে?
  4. sajedul on মেন্স রেগুলার হওয়ার জন্য normens tablet কতদিন খেতে হবে?
  5. Akash on BSS full meaning কি হবে ?

Login

What is the capital of Egypt? ( Cairo )

Forgot Password?

Log in

Explore

  • বাংলা প্রশ্নোত্তর
  • Add group
  • Groups page
  • Communities
  • Questions
    • New Questions
    • Trending Questions
    • Must read Questions
    • Hot Questions
  • Polls
  • Tags
  • Badges
  • Users
  • Help

নতুন এবং আপডেট পোষ্টসমুহ

  1. Asked: September 15, 2025In: জীবনধারা

    শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় মনোযোগ বাড়ানোর জন্য কী করতে পারে?

    একায়বান
    একায়বান নবাগত
    Added an answer on October 10, 2025 at 4:10 AM

    পরীক্ষার সময় মনোযোগ ধরে রাখা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবন, সামাজিক মিডিয়ার প্রলোভন, এবং বাড়ির পরিবেশ প্রায়ই শিক্ষার্থীর পড়ার মনোযোগ ভেঙে দেয়। তবে সঠিক কৌশল ও পরিকল্পনার মাধ্যমে মনোযোগ বৃদ্ধি করা সম্ভব এবং পড়াশোনার ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা যায়। প্রথমRead more

    পরীক্ষার সময় মনোযোগ ধরে রাখা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবন, সামাজিক মিডিয়ার প্রলোভন, এবং বাড়ির পরিবেশ প্রায়ই শিক্ষার্থীর পড়ার মনোযোগ ভেঙে দেয়। তবে সঠিক কৌশল ও পরিকল্পনার মাধ্যমে মনোযোগ বৃদ্ধি করা সম্ভব এবং পড়াশোনার ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা যায়। প্রথমেই, একটি শান্ত এবং ব্যস্ততা মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা অপরিহার্য। শিক্ষার্থীরা যদি পড়ার সময় ফোন, ট্যাব বা কম্পিউটার ব্যবহার না করে এবং আশেপাশে শব্দহীন পরিবেশ তৈরি করতে পারে, তবে মনোযোগ স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীভূত হয়।

    পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো সময় ব্যবস্থাপনা। Pomodoro বা টাইম ব্লকিং পদ্ধতি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুবই কার্যকর। উদাহরণস্বরূপ, ২৫–৩০ মিনিটের জন্য সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়া এবং পরে ৫ মিনিট বিরতি নেওয়া মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে। দীর্ঘ সময় ধরে একটানা পড়ার চেয়ে এই পদ্ধতি মনোযোগ ধরে রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে। এছাড়াও, শিক্ষার্থীরা যদি প্রতিদিনের পড়ার জন্য একটি সূচি বা সময়সূচি তৈরি করে, তবে তারা কোন বিষয় কখন পড়বে তা সহজে বুঝতে পারে, এবং একাধিক বিষয়ে সমন্বয় করার সময় মনোযোগের অভাব দেখা দেয় না। এ

    শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ হ্রাস পায়, তাই পরীক্ষার সময় ৭–৮ ঘণ্টার ঘুম নিশ্চিত করা উচিত। এছাড়াও, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, যথাযথ জলপান, এবং হালকা ব্যায়াম মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়াম, যেমন যোগা, হালকা দৌড় বা হাঁটা, মানসিক চাপ কমায় এবং মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে।

    পড়ার সময় মনোযোগ ধরে রাখতে কিছু অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, প্রতিটি অধ্যায় পড়ার আগে লক্ষ্য নির্ধারণ করা, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নোট করা, এবং পড়া শেষ হলে স্ব-মূল্যায়ন করা। শিক্ষার্থীরা যদি নিজেদের জন্য ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এবং সেগুলো অর্জনের পর নিজেকে পুরস্কৃত করে, তবে মনোযোগ আরও বাড়ে। পাশাপাশি, বিরতি নেয়ার সময় সামাজিক মিডিয়া বা ফোন ব্যবহার না করে, হালকা হাঁটা বা চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নেওয়া মনোযোগকে পুনরায় শক্তিশালী করে।

    সবশেষে, মানসিক প্রস্তুতি এবং ধৈর্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার চাপ অনেক শিক্ষার্থীর মনোযোগ নষ্ট করে দিতে পারে। তবে ধীরে ধীরে পরিকল্পিতভাবে পড়াশোনা করলে, মনোযোগ বজায় রাখা সম্ভব এবং ফলাফলও ভালো হয়। মনে রাখতে হবে, মনোযোগ ধরে রাখা শুধু পড়াশোনার জন্য নয়, এটি একজন শিক্ষার্থীর সার্বিক মানসিক বিকাশেও সাহায্য করে। সুতরাং, শান্ত পরিবেশ তৈরি, সময় ব্যবস্থাপনা, শারীরিক ও মানসিক যত্ন, এবং লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় তাদের মনোযোগ বাড়াতে এবং ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারে।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  2. Asked: August 19, 2025In: স্বাস্থ্য ও সুস্থতা

    জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে?

    একায়বান
    একায়বান নবাগত
    Added an answer on October 10, 2025 at 4:01 AM
    This answer was edited.

    জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে? “জাঙ্ক ফুড” বলতে সাধারণত অতিরিক্ত তেল-চর্বি, ট্রান্স-ফ্যাট, চিনি, রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, অতিরিক্ত লবণ এবং নানা কৃত্রিম অ্যাডিটিভে ভরা খাবার বোঝায়—যেমন ডিপ-ফ্রাইড স্ন্যাকস, বার্গার, পিৎজা, প্রসেসড মিট, মিষ্টি পানীয় বা প্যাকেটজাত মিষ্টিRead more

    জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে?

    “জাঙ্ক ফুড” বলতে সাধারণত অতিরিক্ত তেল-চর্বি, ট্রান্স-ফ্যাট, চিনি, রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, অতিরিক্ত লবণ এবং নানা কৃত্রিম অ্যাডিটিভে ভরা খাবার বোঝায়—যেমন ডিপ-ফ্রাইড স্ন্যাকস, বার্গার, পিৎজা, প্রসেসড মিট, মিষ্টি পানীয় বা প্যাকেটজাত মিষ্টি ইত্যাদি। এগুলো তাত্ক্ষণিকভাবে স্বাদ ও তৃপ্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ভেতরে নীরবে একাধিক ক্ষতিকর পরিবর্তন ঘটাতে পারে, যা ধীরে ধীরে বড় স্বাস্থ্যসমস্যার দিকে ঠেলে দেয়।

    ১) ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিক সিন্ড্রোম

    জাঙ্ক ফুডে ক্যালরি বেশি কিন্তু পুষ্টিগুণ কম। অতিরিক্ত ক্যালরি সহজে জমে গিয়ে ভিসারাল ফ্যাট বাড়ায়—যা কোমরের আশেপাশে চর্বি হিসেবে দেখা দেয় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ব্লাড সুগার ওঠানামা, উচ্চ রক্তচাপ ও অস্বাভাবিক লিপিড প্রোফাইলের ঝুঁকি বাড়ায়। সময়ের সঙ্গে এ অবস্থা মেটাবলিক সিন্ড্রোমে রূপ নিতে পারে, যা টাইপ–২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের বড় পূর্বাভাস।

    ২) হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি

    ট্রান্স-ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার LDL (খারাপ) কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং HDL (ভালো) কোলেস্টেরল কমায়। পাশাপাশি অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়াতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এই ধরণ বজায় থাকলে ধমনীতে প্লাক জমা, প্রদাহ বৃদ্ধি এবং শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

    ৩) মস্তিষ্ক, মনোযোগ ও মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব

    চিনি ও রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট রক্তে গ্লুকোজ হঠাৎ বাড়ায়, আবার দ্রুত নামিয়ে দেয়—ফলে ক্লান্তি, মাথা ঝিমঝিম, মুড-সুইং, বিরক্তি এবং মনোযোগে সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের খাবার মস্তিষ্কে প্রদাহের প্রবণতা বাড়াতে এবং স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    ৪) হজম ও গাট মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য নষ্ট

    ফাইবার-স্বল্প ও প্রসেসড খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৈচিত্র্য কমিয়ে দেয়। এতে হজমের সমস্যা, পেট ফাঁপা, অনিয়মিত মলত্যাগের মতো বিষয় বাড়তে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও দুর্বল হতে পারে। গাট–ব্রেইন অ্যাক্সিসের কারণে এ ভারসাম্যহীনতা মুড ও ঘুমেও প্রভাব ফেলতে পারে।

    ৫) ত্বক, দাঁত ও হরমোনের ওপর প্রভাব

    অতিরিক্ত চিনি ও তেলযুক্ত খাবার ইনফ্লেমেশন বাড়িয়ে ব্রণ বা ত্বকের জ্বালা বাড়াতে পারে। মিষ্টি পানীয় ও স্টিকি স্ন্যাকস দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে ক্যাভিটি বাড়ায়। তাছাড়া অনিয়ন্ত্রিত জাঙ্ক ফুডের কারণে ইনসুলিন ও কর্টিসলসহ বিভিন্ন হরমোনে ওঠানামা হতে পারে, যা ঘুম, স্ট্রেস ও ক্ষুধা–তৃপ্তির সিগন্যালকে ব্যাহত করে।

    ৬) ‘হ্যাবিট লুপ’ ও দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতা

    জাঙ্ক ফুড সাধারণত হাইপালেটেবল—অর্থাৎ অতিরিক্ত স্বাদ, লবণ, চিনি দিয়ে মস্তিষ্কে ডোপামিন রিওয়ার্ড ট্রিগার করে। ফলে “খেতে ইচ্ছে করছে” → “খাচ্ছি” → “আবার খেতে ইচ্ছে”—এমন এক লুপ তৈরি হয়। এই অভ্যাস না ভাঙলে সময়ের সাথে পরিমাণ বাড়ে এবং আগের সব ঝুঁকি বহুগুণে বাড়ে।

    কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন (বাস্তব কয়েকটি টিপস)

    (ক) সপ্তাহে নির্দিষ্ট “ট্রিট ডে” ঠিক করে দিন, বাকি দিনগুলোতে বাসায় সহজ, পুষ্টিকর খাবার রাখুন। (খ) প্লেটে অর্ধেক অংশ সবজি/সালাদ, এক-চতুর্থাংশ প্রোটিন, এক-চতুর্থাংশ হোল-গ্রেইন রাখার চেষ্টা করুন। (গ) মিষ্টি পানীয়ের বদলে পানি/লেবু পানি নিন। (ঘ) প্যাকেটের ইনগ্রেডিয়েন্ট লিস্ট পড়ার অভ্যাস করুন—ট্রান্স-ফ্যাট, হাই-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ, অতিরিক্ত সোডিয়াম আছে কি না দেখুন। (ঙ) ক্ষুধা সামলাতে বাদাম, ফল, দইয়ের মতো ‘রিয়েল ফুড’ হাতের কাছে রাখুন।

    নোট: এটি সাধারণ স্বাস্থ্য–শিক্ষামূলক লেখা; আপনার যদি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা বিশেষ কোনো উপসর্গ থাকে, তাহলে ব্যক্তিগত পরামর্শের জন্য নিবন্ধিত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  3. Asked: July 19, 2025In: বিশ্ববিদ্যালয়

    BSS full meaning কি হবে ?

    Akash
    Akash ব্যাখ্যাকারী
    Added an answer on July 19, 2025 at 10:56 PM

    B.S.S. বা বি.এস.এস. এর  full meaning হলো-   Bachelor of Social Science / ব্যাচেলর অফ সোস্যাল সাইন্স । এটি একটি অনার্স বা ব্যাচেলর ডিগ্রী। নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে অধ্যয়ন করলে বি.এস.এস ডিগ্রী অর্জন করা যায়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো — ১. অর্থনীতি ২. সমাজ বিজ্ঞান ৩. সমাজ কর্ম ৪. গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতাRead more

    B.S.S. বা বি.এস.এস. এর  full meaning হলো-   Bachelor of Social Science / ব্যাচেলর অফ সোস্যাল সাইন্স । এটি একটি অনার্স বা ব্যাচেলর ডিগ্রী। নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে অধ্যয়ন করলে বি.এস.এস ডিগ্রী অর্জন করা যায়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো —

    ১. অর্থনীতি

    ২. সমাজ বিজ্ঞান

    ৩. সমাজ কর্ম

    ৪. গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা

    ৫. গ্রন্থাগার বিজ্ঞান

    ৭. গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা

    ৮. আন্তজার্তিক সম্পর্ক

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report

Footer

Facebook

Follow

জনপ্রিয় লেখাসমুহ

  • আমাজন জঙ্গল রহস্য
  • মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  • পদ্মা সেতুর সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত
  • সেভেন সিস্টার্স (Seven Sisters) কি ?
  • সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান ২০২৪

© 2025 Prosnouttar.com. All Rights Reserved          Privacy Policy | FAQ | Contact US | About Us | Terms and Policies