Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে?
জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে? “জাঙ্ক ফুড” বলতে সাধারণত অতিরিক্ত তেল-চর্বি, ট্রান্স-ফ্যাট, চিনি, রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, অতিরিক্ত লবণ এবং নানা কৃত্রিম অ্যাডিটিভে ভরা খাবার বোঝায়—যেমন ডিপ-ফ্রাইড স্ন্যাকস, বার্গার, পিৎজা, প্রসেসড মিট, মিষ্টি পানীয় বা প্যাকেটজাত মিষ্টিRead more
জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব ফেলে?
“জাঙ্ক ফুড” বলতে সাধারণত অতিরিক্ত তেল-চর্বি, ট্রান্স-ফ্যাট, চিনি, রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, অতিরিক্ত লবণ এবং নানা কৃত্রিম অ্যাডিটিভে ভরা খাবার বোঝায়—যেমন ডিপ-ফ্রাইড স্ন্যাকস, বার্গার, পিৎজা, প্রসেসড মিট, মিষ্টি পানীয় বা প্যাকেটজাত মিষ্টি ইত্যাদি। এগুলো তাত্ক্ষণিকভাবে স্বাদ ও তৃপ্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ভেতরে নীরবে একাধিক ক্ষতিকর পরিবর্তন ঘটাতে পারে, যা ধীরে ধীরে বড় স্বাস্থ্যসমস্যার দিকে ঠেলে দেয়।
১) ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিক সিন্ড্রোম
জাঙ্ক ফুডে ক্যালরি বেশি কিন্তু পুষ্টিগুণ কম। অতিরিক্ত ক্যালরি সহজে জমে গিয়ে ভিসারাল ফ্যাট বাড়ায়—যা কোমরের আশেপাশে চর্বি হিসেবে দেখা দেয় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ব্লাড সুগার ওঠানামা, উচ্চ রক্তচাপ ও অস্বাভাবিক লিপিড প্রোফাইলের ঝুঁকি বাড়ায়। সময়ের সঙ্গে এ অবস্থা মেটাবলিক সিন্ড্রোমে রূপ নিতে পারে, যা টাইপ–২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের বড় পূর্বাভাস।
২) হৃদ্রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি
ট্রান্স-ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার LDL (খারাপ) কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং HDL (ভালো) কোলেস্টেরল কমায়। পাশাপাশি অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়াতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এই ধরণ বজায় থাকলে ধমনীতে প্লাক জমা, প্রদাহ বৃদ্ধি এবং শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।
৩) মস্তিষ্ক, মনোযোগ ও মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব
চিনি ও রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট রক্তে গ্লুকোজ হঠাৎ বাড়ায়, আবার দ্রুত নামিয়ে দেয়—ফলে ক্লান্তি, মাথা ঝিমঝিম, মুড-সুইং, বিরক্তি এবং মনোযোগে সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের খাবার মস্তিষ্কে প্রদাহের প্রবণতা বাড়াতে এবং স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
৪) হজম ও গাট মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য নষ্ট
ফাইবার-স্বল্প ও প্রসেসড খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৈচিত্র্য কমিয়ে দেয়। এতে হজমের সমস্যা, পেট ফাঁপা, অনিয়মিত মলত্যাগের মতো বিষয় বাড়তে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও দুর্বল হতে পারে। গাট–ব্রেইন অ্যাক্সিসের কারণে এ ভারসাম্যহীনতা মুড ও ঘুমেও প্রভাব ফেলতে পারে।
৫) ত্বক, দাঁত ও হরমোনের ওপর প্রভাব
অতিরিক্ত চিনি ও তেলযুক্ত খাবার ইনফ্লেমেশন বাড়িয়ে ব্রণ বা ত্বকের জ্বালা বাড়াতে পারে। মিষ্টি পানীয় ও স্টিকি স্ন্যাকস দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে ক্যাভিটি বাড়ায়। তাছাড়া অনিয়ন্ত্রিত জাঙ্ক ফুডের কারণে ইনসুলিন ও কর্টিসলসহ বিভিন্ন হরমোনে ওঠানামা হতে পারে, যা ঘুম, স্ট্রেস ও ক্ষুধা–তৃপ্তির সিগন্যালকে ব্যাহত করে।
৬) ‘হ্যাবিট লুপ’ ও দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতা
জাঙ্ক ফুড সাধারণত হাইপালেটেবল—অর্থাৎ অতিরিক্ত স্বাদ, লবণ, চিনি দিয়ে মস্তিষ্কে ডোপামিন রিওয়ার্ড ট্রিগার করে। ফলে “খেতে ইচ্ছে করছে” → “খাচ্ছি” → “আবার খেতে ইচ্ছে”—এমন এক লুপ তৈরি হয়। এই অভ্যাস না ভাঙলে সময়ের সাথে পরিমাণ বাড়ে এবং আগের সব ঝুঁকি বহুগুণে বাড়ে।
কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন (বাস্তব কয়েকটি টিপস)
(ক) সপ্তাহে নির্দিষ্ট “ট্রিট ডে” ঠিক করে দিন, বাকি দিনগুলোতে বাসায় সহজ, পুষ্টিকর খাবার রাখুন। (খ) প্লেটে অর্ধেক অংশ সবজি/সালাদ, এক-চতুর্থাংশ প্রোটিন, এক-চতুর্থাংশ হোল-গ্রেইন রাখার চেষ্টা করুন। (গ) মিষ্টি পানীয়ের বদলে পানি/লেবু পানি নিন। (ঘ) প্যাকেটের ইনগ্রেডিয়েন্ট লিস্ট পড়ার অভ্যাস করুন—ট্রান্স-ফ্যাট, হাই-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ, অতিরিক্ত সোডিয়াম আছে কি না দেখুন। (ঙ) ক্ষুধা সামলাতে বাদাম, ফল, দইয়ের মতো ‘রিয়েল ফুড’ হাতের কাছে রাখুন।
নোট: এটি সাধারণ স্বাস্থ্য–শিক্ষামূলক লেখা; আপনার যদি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা বিশেষ কোনো উপসর্গ থাকে, তাহলে ব্যক্তিগত পরামর্শের জন্য নিবন্ধিত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি।
See lessamilin 10 কিসের ঔষধ ?
বিষন্নতাজনিত অসুস্থতায় ঘুম, বিশেষত মানসিক দুশ্চিন্তায় ঘুম এবং মূত্রের বেগ ধারণে অক্ষমতা বিশেষত শিশুদের রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রত্যাগের চিকিৎসায় amilin 10 ব্যবহৃত হয়। এমিলিন খাওয়ার নিয়ম- বিষন্নতায় : ২৫-৫০ মি.গ্রা. প্রতিদিন বিভক্তমাত্রায় ও একক মাত্রায় ঘুমানাের পূর্বে। রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রRead more
বিষন্নতাজনিত অসুস্থতায় ঘুম, বিশেষত মানসিক দুশ্চিন্তায় ঘুম এবং মূত্রের বেগ ধারণে অক্ষমতা বিশেষত শিশুদের রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রত্যাগের চিকিৎসায় amilin 10 ব্যবহৃত হয়।
এমিলিন খাওয়ার নিয়ম-
বিষন্নতায় : ২৫-৫০ মি.গ্রা. প্রতিদিন বিভক্তমাত্রায় ও একক মাত্রায় ঘুমানাের পূর্বে।
রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রত্যাগ: ৬-১০ বছর: ১০২০ মি.গ্রা. ঘুমানাের পূর্বে।
১১-১৬ বছর: ২৫-৫০ মি.গ্রা. ঘুমানাের পূর্বে ৩ মাস পর্যন্ত।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-
রক্ত চাপ কমে যাওয়া, সিনকোপ, tবুক ধড়ফড় করা, হেলুসিনেশন, আলােক সংবেদনশীলতা, মাথা ঝিম ঝিম করা, দুর্বলতা, অবসাদ এবং ওজন কমে যাওয়া।
সতর্কতা-
ইহা মৃগীরােগের ইতিহাস আছে এমন রােগীদের ক্ষেত্রে, গ্লুকোমা, মূত্র প্রতিবন্ধকতা, কার্ডিয়াক অসুস্থতা, বহুমূত্র, গর্ভাবস্থায়, যকৃতের অস্বাভাবিকতা, থায়রয়েড সমস্যা, ইন্ট্রাঅকুলার প্রেসার বৃদ্ধিজনিত সমস্যা এবং মানসিক অসুস্থতার ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
অতিরিক্ত ব্যাবহারের জন্য নয়। চিকিৎসক অনুযায়ী সেব্য।
See lessমেন্স রেগুলার হওয়ার জন্য normens tablet কতদিন খেতে হবে?
যাদের মাসিক অনিয়মিত তাদের নিয়মিত করার জন্য ২১ দিন করে টানা ০৩ মাসিক চক্র বা ০৩ মাস খেতে বলা হয়। অথাৎ ২১ দিন খাবার পর বন্ধ করবে ২/১ দিনের মধ্যেই মাসিক শুরু হবে৷ ০৩ থেকে ০৫ দিন যে কয় দিন'ই মাসিক থাকুক না কেনো ৭দিন বন্ধ রাখবে,,,,,এর পর আবার খাওয়া শুরু করবে টানা ২১ দিন আবারো ৭ দিন বন্ধ করে আবারো টানা ২১Read more
যাদের মাসিক অনিয়মিত তাদের নিয়মিত করার জন্য ২১ দিন করে টানা ০৩ মাসিক চক্র বা ০৩ মাস খেতে বলা হয়।
অথাৎ ২১ দিন খাবার পর বন্ধ করবে ২/১ দিনের মধ্যেই মাসিক শুরু হবে৷ ০৩ থেকে ০৫ দিন যে কয় দিন’ই মাসিক থাকুক না কেনো ৭দিন বন্ধ রাখবে,,,,,এর পর আবার খাওয়া শুরু করবে টানা ২১ দিন আবারো ৭ দিন বন্ধ করে আবারো টানা ২১ দিন,,,,,
তাহলে ২১ দিন করে ০৩ বার হচ্ছে বা ০৩ মাসিক চক্র হচ্ছে৷ এভাবে খেতে পারলে তার মাসিক নিয়মিত হওয়ার সুযোগ সর্বোচ্চ।
সেই রোগীর বয়স,ওজন,উচ্চতা, অবস্থা,অবস্থান,সমস্যার গুরুত্বতা,আর্থিক অবস্থা সব কিছু বিবেচনা করে রোগী ২ বেলা বা ৩ বেলা করে এই ঔষধ খেতে বলা হয়।
বি:দ্র: চিকিৎসক এর পরামর্শ ব্যাতীত কোন ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়৷
See lesspevisone cream কিসের মলম?
pevisone cream হচ্ছে মূলত একটি এন্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং এন্টি-ফাঙ্গাল জাতীয় ওষুধ। যা ত্বকের বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকর ফাঙ্গাল সংক্রমণ এবং প্রদাহজনিত সমস্যার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।
pevisone cream হচ্ছে মূলত একটি এন্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং এন্টি-ফাঙ্গাল জাতীয় ওষুধ। যা ত্বকের বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকর ফাঙ্গাল সংক্রমণ এবং প্রদাহজনিত সমস্যার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।
See lessxyril 25 এর কাজ কি ?
Xyril 25 ঔষধটি মেফেনামিক এসিড দিয়ে তৈরি। এটি একটি ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ, যা সাধারণত নিম্নলিখিত কারণে ব্যবহৃত হয়: হালকা থেকে মাঝারি ধরণের ব্যথা, যেমন: মাথাব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা, দাঁতের ব্য০থা ইত্যাদি উপশম করতে ব্যবহৃত হয়। মাসিকের সময়ের ব্যথা (ডিসমেনোরিয়া) এবং অন্যান্Read more
Xyril 25 ঔষধটি মেফেনামিক এসিড দিয়ে তৈরি। এটি একটি ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ, যা সাধারণত নিম্নলিখিত কারণে ব্যবহৃত হয়:
হালকা থেকে মাঝারি ধরণের ব্যথা, যেমন: মাথাব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা, দাঁতের ব্য০থা ইত্যাদি উপশম করতে ব্যবহৃত হয়। মাসিকের সময়ের ব্যথা (ডিসমেনোরিয়া) এবং অন্যান্য প্রকারের মাসিকের সঙ্গে সম্পর্কিত অস্বস্তি কমাতে ব্যবহৃত হয়।আর্থ্রাইটিসের মতো প্রদাহজনিত অবস্থার জন্যও এটি ব্যবহৃত হয়।
See lessমোনাস 10 এর কাজ কি?
Monas- 10 or 5 এজমা /হাঁপানি রোগের প্রধান ঔষধ, ব্যপক সেবন করা হয় । কিন্তু এছাড়াও যাদের নাকের প্রদাহ, কফ কাশি ইত্যাদি ঠান্ডা জনিত সমস্যা আছে তাদের সাময়িক ভাবে সাধারণত ১০ দিন বা ১ মাস সেবন করতে দেওয়া হয়। আর যদি এজমা থাকে তবে সবসময়।
Monas- 10 or 5 এজমা /হাঁপানি রোগের প্রধান ঔষধ, ব্যপক সেবন করা হয় । কিন্তু এছাড়াও যাদের নাকের প্রদাহ, কফ কাশি ইত্যাদি ঠান্ডা জনিত সমস্যা আছে তাদের সাময়িক ভাবে সাধারণত ১০ দিন বা ১ মাস সেবন করতে দেওয়া হয়। আর যদি এজমা থাকে তবে সবসময়।
See lessখাদ্যাভ্যাস কাকে বলে?
খাদ্যাভ্যাস বলতে সাধারণত মানুষের খাদ্য গ্রহণের পদ্ধতি, খাবারের ধরণ নির্বাচন এবং সেই খাবারের সাথে সম্পর্কিত মানুষের আচরণ এবং সামাজিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বোঝানো হয়। এটি একটি সমাজের সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, সামাজিক এবং পারিবারিক প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠে। খাদ্যাভ্যাসের মূল উপাদানগুলো হল: ১. খাবারের ধরন: খাদ্যাভ্Read more
খাদ্যাভ্যাস বলতে সাধারণত মানুষের খাদ্য গ্রহণের পদ্ধতি, খাবারের ধরণ নির্বাচন এবং সেই খাবারের সাথে সম্পর্কিত মানুষের আচরণ এবং সামাজিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বোঝানো হয়। এটি একটি সমাজের সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, সামাজিক এবং পারিবারিক প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠে। খাদ্যাভ্যাসের মূল উপাদানগুলো হল:
১. খাবারের ধরন:
খাদ্যাভ্যাসের প্রথম উপাদান হলো খাদ্য নির্বাচন। মানুষ কোন ধরনের খাবার খাবে তা নির্ভর করে তার নিজস্ব পছন্দ, ধর্ম, এবং সংস্কৃতির উপর। যেমন:
২. খাবারের সময়:
খাদ্যাভ্যাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো খাবার খাওয়ার সময় এবং নিয়ম। বেশিরভাগ মানুষের খাদ্যাভ্যাসে কিছু নির্দিষ্ট সময় থাকে, যেমন:
৩. খাবারের পরিমাণ:
খাবার গ্রহণের পরিমাণও খাদ্যাভ্যাসের একটি বিশেষ অংশ। কিছু মানুষ অল্প পরিমাণে খাবার খেতে পছন্দ করেন, আবার কিছু মানুষ একসাথে বেশি পরিমাণে খাবার খেতে পছন্দ করেন।
৪. খাবারের প্রস্তুতি এবং পরিবেশন:
খাবারের প্রস্তুতি এবং পরিবেশনের মধ্যেও কিছু পার্থক্য দেখা যায়। অঞ্চল এবং পরিবেশভেদে খাবার প্রস্তুতির পদ্ধতি একেকরকম হয়ে থাকে। আবার পরিবেশনার ক্ষেত্রেও কিছু সংস্কৃতিতে খাবার একসঙ্গে সবার সামনে পরিবেশন করা হয়, আবার কিছু সংস্কৃতিতে প্রতিটি ব্যক্তির জন্য আলাদা আলাদা খাবার পরিবেশন করা হয়।
৫. ধর্মীয় এবং সামাজিক প্রভাব:
অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস ধর্মীয় নীতিমালা বা বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ:
৬. অর্থনৈতিক অবস্থা:
ব্যক্তি বা পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থাও খাদ্যাভ্যাসকে প্রভাবিত করে। যেসব পরিবারে ভালো অর্থনৈতিক অবস্থা রয়েছে, তারা অধিক দামি এবং বৈচিত্র্যময় খাবার খেতে পছন্দ করে। আর দরিদ্র পরিবারের মানুষেরা সাধারণ এবং কম দামের খাবার খায়।
৭. খাদ্যের উৎস:
মানুষের খাদ্যাভ্যাস তার পরিবেশের উপর অনেকটা নির্ভরশীল। যেমন: পাহাড়ি এলাকায় বাস করা মানুষ সাধারণত মাংস ও শিকারের উপর নির্ভরশীল, আবার সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার লোকেরা মাছ এবং সামুদ্রিক খাদ্য বেশি খায়।
৮. স্বাস্থ্য ও পুষ্টির দিক:
বর্তমান সময়ে খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যকর এবং অস্বাস্থ্যকর দুভাবেই চলমান, যা মানুষের দৈহিক এবং মানসিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলছে নিয়মিত। কিছু মানুষ পুষ্টিকর খাবার যেমন শাক-সবজি, ফল, হালাল প্রোটিন ইত্যাদি খেতে পছন্দ করেন, যাতে শরীর ভালো থাকে। আর অন্যদিকে কিছু অসচেতন মানুষ এসব বাছ-বিচার না করে যা পায় তাই খায় আর এরা দিন শেষে রোগ শোকে কষ্ট পায়।
৯. সামাজিক প্রেক্ষাপট:
সামাজিক অনুষ্ঠানে বা পার্টিতে খাবারের ধরনের পরিবর্তন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ- বিয়ে, জন্মদিন, বা অন্যান্য উৎসবে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয় যা সাধারণ দিনে খাওয়া হয় না।
১০. খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন:
খাদ্যাভ্যাস সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে পারে। যেমন: অনেক সচেতন মানুষ এখন ফাস্ট ফুড খাওয়া কমিয়ে দিয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করতে আগ্রহী হচ্ছেন।
পরিশেষে, খাদ্যাভ্যাস মানুষের জীবনের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা তার স্বাস্থ্য, সামাজিক জীবন, এবং সাংস্কৃতিক পরিচিতি প্রদর্শন করে। খাদ্যাভ্যাস সময়, স্থান, এবং পরিবেশের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে, এবং তা মানুষের জীবনের নানা দিককে প্রভাবিত করে।
See lessডেঙ্গু জ্বর কত দিন থাকে?
দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
See lessডেঙ্গু জ্বর হলে কি খেতে হবে?
ডেঙ্গু জ্বরে বাড়ির স্বাভাবিক খাবারই খেতে পারবেন। তবে তরল খাবারে বেশি জোর দিতে হবে। ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি১২ প্লাটিলেট তৈরি করতে সহায়তা করে। তাই যথেষ্ট প্রোটিন, ভিটামিন বি১২, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, আয়রন, ভিটামিন ডি, জিংক, ফসফরাস সমৃদ্ধ ডিম, সামুদ্রিক মাছ, ব্রকলি, ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, পালংশাক, বাRead more
ডেঙ্গু জ্বরে বাড়ির স্বাভাবিক খাবারই খেতে পারবেন। তবে তরল খাবারে বেশি জোর দিতে হবে। ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি১২ প্লাটিলেট তৈরি করতে সহায়তা করে।
তাই যথেষ্ট প্রোটিন, ভিটামিন বি১২, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, আয়রন, ভিটামিন ডি, জিংক, ফসফরাস সমৃদ্ধ ডিম, সামুদ্রিক মাছ, ব্রকলি, ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, পালংশাক, বাদাম, বিট, মটরশুঁটি, কলা, তরমুজ, পেঁপে, লেবু, মাল্টা এসব খেতে হবে।
এতে শরীরের ইমিউনিটি আরও শক্তিশালী হবে এবং শরীর ভাইরাসের বিরুদ্ধে দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি করে ভাইরাসকে ধ্বংস করতে সক্ষম হবে।
See less১০৩ ডিগ্রি জ্বর হলে করণীয় কী ?
জ্বর (১০০ থেকে ১০৩°) হলে, ভিজা গামছা বা সুতি কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিন। গরম ও নরম খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। বিশ্রাম নিতে দিন। ভালো ঘুমাতে দিন. ডাক্তারের পরামর্শ মত ঔষধ খাওয়ান।
জ্বর (১০০ থেকে ১০৩°) হলে, ভিজা গামছা বা সুতি কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিন। গরম ও নরম খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। বিশ্রাম নিতে দিন। ভালো ঘুমাতে দিন. ডাক্তারের পরামর্শ মত ঔষধ খাওয়ান।
See less