Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
amilin 10 কিসের ঔষধ ?
বিষন্নতাজনিত অসুস্থতায় ঘুম, বিশেষত মানসিক দুশ্চিন্তায় ঘুম এবং মূত্রের বেগ ধারণে অক্ষমতা বিশেষত শিশুদের রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রত্যাগের চিকিৎসায় amilin 10 ব্যবহৃত হয়। এমিলিন খাওয়ার নিয়ম- বিষন্নতায় : ২৫-৫০ মি.গ্রা. প্রতিদিন বিভক্তমাত্রায় ও একক মাত্রায় ঘুমানাের পূর্বে। রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রRead more
বিষন্নতাজনিত অসুস্থতায় ঘুম, বিশেষত মানসিক দুশ্চিন্তায় ঘুম এবং মূত্রের বেগ ধারণে অক্ষমতা বিশেষত শিশুদের রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রত্যাগের চিকিৎসায় amilin 10 ব্যবহৃত হয়।
এমিলিন খাওয়ার নিয়ম-
বিষন্নতায় : ২৫-৫০ মি.গ্রা. প্রতিদিন বিভক্তমাত্রায় ও একক মাত্রায় ঘুমানাের পূর্বে।
রাত্রিকালীন শয্যায় মূত্রত্যাগ: ৬-১০ বছর: ১০২০ মি.গ্রা. ঘুমানাের পূর্বে।
১১-১৬ বছর: ২৫-৫০ মি.গ্রা. ঘুমানাের পূর্বে ৩ মাস পর্যন্ত।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-
রক্ত চাপ কমে যাওয়া, সিনকোপ, tবুক ধড়ফড় করা, হেলুসিনেশন, আলােক সংবেদনশীলতা, মাথা ঝিম ঝিম করা, দুর্বলতা, অবসাদ এবং ওজন কমে যাওয়া।
সতর্কতা-
ইহা মৃগীরােগের ইতিহাস আছে এমন রােগীদের ক্ষেত্রে, গ্লুকোমা, মূত্র প্রতিবন্ধকতা, কার্ডিয়াক অসুস্থতা, বহুমূত্র, গর্ভাবস্থায়, যকৃতের অস্বাভাবিকতা, থায়রয়েড সমস্যা, ইন্ট্রাঅকুলার প্রেসার বৃদ্ধিজনিত সমস্যা এবং মানসিক অসুস্থতার ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
অতিরিক্ত ব্যাবহারের জন্য নয়। চিকিৎসক অনুযায়ী সেব্য।
See lessমেন্স রেগুলার হওয়ার জন্য normens tablet কতদিন খেতে হবে?
যাদের মাসিক অনিয়মিত তাদের নিয়মিত করার জন্য ২১ দিন করে টানা ০৩ মাসিক চক্র বা ০৩ মাস খেতে বলা হয়। অথাৎ ২১ দিন খাবার পর বন্ধ করবে ২/১ দিনের মধ্যেই মাসিক শুরু হবে৷ ০৩ থেকে ০৫ দিন যে কয় দিন'ই মাসিক থাকুক না কেনো ৭দিন বন্ধ রাখবে,,,,,এর পর আবার খাওয়া শুরু করবে টানা ২১ দিন আবারো ৭ দিন বন্ধ করে আবারো টানা ২১Read more
যাদের মাসিক অনিয়মিত তাদের নিয়মিত করার জন্য ২১ দিন করে টানা ০৩ মাসিক চক্র বা ০৩ মাস খেতে বলা হয়।
অথাৎ ২১ দিন খাবার পর বন্ধ করবে ২/১ দিনের মধ্যেই মাসিক শুরু হবে৷ ০৩ থেকে ০৫ দিন যে কয় দিন’ই মাসিক থাকুক না কেনো ৭দিন বন্ধ রাখবে,,,,,এর পর আবার খাওয়া শুরু করবে টানা ২১ দিন আবারো ৭ দিন বন্ধ করে আবারো টানা ২১ দিন,,,,,
তাহলে ২১ দিন করে ০৩ বার হচ্ছে বা ০৩ মাসিক চক্র হচ্ছে৷ এভাবে খেতে পারলে তার মাসিক নিয়মিত হওয়ার সুযোগ সর্বোচ্চ।
সেই রোগীর বয়স,ওজন,উচ্চতা, অবস্থা,অবস্থান,সমস্যার গুরুত্বতা,আর্থিক অবস্থা সব কিছু বিবেচনা করে রোগী ২ বেলা বা ৩ বেলা করে এই ঔষধ খেতে বলা হয়।
বি:দ্র: চিকিৎসক এর পরামর্শ ব্যাতীত কোন ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়৷
See lesspevisone cream কিসের মলম?
pevisone cream হচ্ছে মূলত একটি এন্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং এন্টি-ফাঙ্গাল জাতীয় ওষুধ। যা ত্বকের বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকর ফাঙ্গাল সংক্রমণ এবং প্রদাহজনিত সমস্যার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।
pevisone cream হচ্ছে মূলত একটি এন্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং এন্টি-ফাঙ্গাল জাতীয় ওষুধ। যা ত্বকের বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকর ফাঙ্গাল সংক্রমণ এবং প্রদাহজনিত সমস্যার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।
See lessxyril 25 এর কাজ কি ?
Xyril 25 ঔষধটি মেফেনামিক এসিড দিয়ে তৈরি। এটি একটি ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ, যা সাধারণত নিম্নলিখিত কারণে ব্যবহৃত হয়: হালকা থেকে মাঝারি ধরণের ব্যথা, যেমন: মাথাব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা, দাঁতের ব্য০থা ইত্যাদি উপশম করতে ব্যবহৃত হয়। মাসিকের সময়ের ব্যথা (ডিসমেনোরিয়া) এবং অন্যান্Read more
Xyril 25 ঔষধটি মেফেনামিক এসিড দিয়ে তৈরি। এটি একটি ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ, যা সাধারণত নিম্নলিখিত কারণে ব্যবহৃত হয়:
হালকা থেকে মাঝারি ধরণের ব্যথা, যেমন: মাথাব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা, দাঁতের ব্য০থা ইত্যাদি উপশম করতে ব্যবহৃত হয়। মাসিকের সময়ের ব্যথা (ডিসমেনোরিয়া) এবং অন্যান্য প্রকারের মাসিকের সঙ্গে সম্পর্কিত অস্বস্তি কমাতে ব্যবহৃত হয়।আর্থ্রাইটিসের মতো প্রদাহজনিত অবস্থার জন্যও এটি ব্যবহৃত হয়।
See lessমোনাস 10 এর কাজ কি?
Monas- 10 or 5 এজমা /হাঁপানি রোগের প্রধান ঔষধ, ব্যপক সেবন করা হয় । কিন্তু এছাড়াও যাদের নাকের প্রদাহ, কফ কাশি ইত্যাদি ঠান্ডা জনিত সমস্যা আছে তাদের সাময়িক ভাবে সাধারণত ১০ দিন বা ১ মাস সেবন করতে দেওয়া হয়। আর যদি এজমা থাকে তবে সবসময়।
Monas- 10 or 5 এজমা /হাঁপানি রোগের প্রধান ঔষধ, ব্যপক সেবন করা হয় । কিন্তু এছাড়াও যাদের নাকের প্রদাহ, কফ কাশি ইত্যাদি ঠান্ডা জনিত সমস্যা আছে তাদের সাময়িক ভাবে সাধারণত ১০ দিন বা ১ মাস সেবন করতে দেওয়া হয়। আর যদি এজমা থাকে তবে সবসময়।
See lessডেঙ্গু জ্বর হলে কি খেতে হবে?
ডেঙ্গু জ্বরে বাড়ির স্বাভাবিক খাবারই খেতে পারবেন। তবে তরল খাবারে বেশি জোর দিতে হবে। ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি১২ প্লাটিলেট তৈরি করতে সহায়তা করে। তাই যথেষ্ট প্রোটিন, ভিটামিন বি১২, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, আয়রন, ভিটামিন ডি, জিংক, ফসফরাস সমৃদ্ধ ডিম, সামুদ্রিক মাছ, ব্রকলি, ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, পালংশাক, বাRead more
ডেঙ্গু জ্বরে বাড়ির স্বাভাবিক খাবারই খেতে পারবেন। তবে তরল খাবারে বেশি জোর দিতে হবে। ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি১২ প্লাটিলেট তৈরি করতে সহায়তা করে।
তাই যথেষ্ট প্রোটিন, ভিটামিন বি১২, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, আয়রন, ভিটামিন ডি, জিংক, ফসফরাস সমৃদ্ধ ডিম, সামুদ্রিক মাছ, ব্রকলি, ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, পালংশাক, বাদাম, বিট, মটরশুঁটি, কলা, তরমুজ, পেঁপে, লেবু, মাল্টা এসব খেতে হবে।
এতে শরীরের ইমিউনিটি আরও শক্তিশালী হবে এবং শরীর ভাইরাসের বিরুদ্ধে দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি করে ভাইরাসকে ধ্বংস করতে সক্ষম হবে।
See less১০৩ ডিগ্রি জ্বর হলে করণীয় কী ?
জ্বর (১০০ থেকে ১০৩°) হলে, ভিজা গামছা বা সুতি কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিন। গরম ও নরম খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। বিশ্রাম নিতে দিন। ভালো ঘুমাতে দিন. ডাক্তারের পরামর্শ মত ঔষধ খাওয়ান।
জ্বর (১০০ থেকে ১০৩°) হলে, ভিজা গামছা বা সুতি কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিন। গরম ও নরম খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। বিশ্রাম নিতে দিন। ভালো ঘুমাতে দিন. ডাক্তারের পরামর্শ মত ঔষধ খাওয়ান।
See lessজ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায় কী ?
ঘরোয়া পদ্ধতিতে নিজেই জ্বরকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। জ্বর বেশি হলে তা দ্রুত কমিয়ে সহনশীল পর্যায়ে আনার জন্য এই ঘরোয়া উপায় মেনে চলতে পারেন— জ্বরের তীব্রতা বেশি হলে এক টুকরা কাপড় পানিতে ভিজিয়ে কিছুক্ষণ পর সেটি তুলে মাথায় পানিপট্টি দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা কমানো যেতে পারে । কিছু তুলসী পাতা ধুয়ে নিয়ে গরমRead more
ঘরোয়া পদ্ধতিতে নিজেই জ্বরকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। জ্বর বেশি হলে তা দ্রুত কমিয়ে সহনশীল পর্যায়ে আনার জন্য এই ঘরোয়া উপায় মেনে চলতে পারেন—
See lessগর্ভের সন্তান ছেলে হওয়ার উপায় কি?
ভ্রুনবিদ্যা অনুসারে, X ক্রোমোজোমবিশিষ্ট শুক্রানু যদি ডিম্ব নিষিক্ত করে থাকে তাহলে সন্তান হবে মেয়ে। তাছাড়া অন্যদিকে Y ক্রোমোজোমধারী শুক্রানু দিয়ে যদি ডিম্ব নিষিক্ত করে থাকে তাহলে গর্ভের সন্তান হবে ছেলে। সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে হবে সেটা নির্ভর করে পিতার শুক্রাণুতে থাকা ক্রোমোজোমের ওপর। এতRead more
ভ্রুনবিদ্যা অনুসারে,
X ক্রোমোজোমবিশিষ্ট শুক্রানু যদি ডিম্ব নিষিক্ত করে থাকে তাহলে সন্তান হবে মেয়ে। তাছাড়া অন্যদিকে Y ক্রোমোজোমধারী শুক্রানু দিয়ে যদি ডিম্ব নিষিক্ত করে থাকে তাহলে গর্ভের সন্তান হবে ছেলে। সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে হবে সেটা নির্ভর করে পিতার শুক্রাণুতে থাকা ক্রোমোজোমের ওপর। এতে X শুক্রাণু (যা মেয়ে সন্তানের জন্য দায়ী) থেকে Y শুক্রাণুকে আলাদা করার কোন প্রমাণিত পদ্ধতি নেই।
তবে ছেলে শিশু জন্মানোর একমাত্র উপায় হচ্ছে- ওয়াই ক্রোমোজোম বহনকারী শুক্রাণু নারীর ডিম্বাণুতে নিষিক্ত হওয়া। সেক্ষেত্রে কিছু কৌশল বা প্রাকৃতিক নিয়ম অবলম্বন করা যেতে পারে যার ফলে Y ক্রোমোজোমবিশিষ্ট শুক্রানু গিয়ে মেয়ের X এর সাথে মিলিত হতে পারে এবং পুত্র সন্তানের ভ্রুন তৈরি হতে পারে।
ছেলে শিশু জন্মানোর কিছু প্রাকৃতিক নিয়ম বা কৌশল-
ডিম্বপাতের দিন সহবাস করা- একজন নারীর শরীরে ডিম্বস্ফোটনের পর ডিম্বাণু সাধরণত ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত জীবিত থাকে এবং একজন পুরুষের শুক্রানু নারীর জরায়ুতে প্রবেশের পর ৫ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে।
তাই ডিম্বস্ফোটনের কয়েকদিন আগে যদি সহবাস করে এক্ষেত্রে Y শুক্তানু বেশিদিন জীবিত থাকতে পারে না। বিধায় X শুক্তানু ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার সম্ভাবনা বেশি ফলে গর্ভের সন্তান মেয়ে হতে পারে।
যেহেতু Y শুক্রানু X চেয়ে বেশ ছোট কিন্তু দ্রুতগামী এবং ডিম্বাণুতে দ্রুত পৌঁছাতে পারে। তাই ডিম্বপাতের দিন বা তার আগের দিন সঙ্গম করলে পুত্র সন্তান জন্মের সম্ভাবনা বেশি। সেক্ষেত্রে সকাল বেলা বা দুপুরে সঙ্গম করা আরো বেশি ফলপ্রসূ হতে পারে।
খাদ্যাভ্যাস-
কিছু কিছু বিজ্ঞানীদের গবেষণা থেকে জানা যায় , নারীদের জরায়ুর পরিবেশ এসিডিক হলে পুরুষের X শ্রুক্রকিট মেয়ের ডিম্বের সাথে আগে মিলিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি আর জরায়ুর পরিবেশ ক্ষারীয় হলে পুরুষের Y শ্রুক্রকিট মেয়ের ডিম্বের সাথে আগে মিলিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
তাই পুত্র সন্তান পেতে চাইলে খাদ্যাভ্যাস এর পরিবর্তন এনে অম্লীয় খাবার যেমন, লেবু, কমলা, আঙ্গুর, টমেটো, কফি ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে। এবং ক্ষারীয় খাবার যেমন, মাংস, মাছ, ডিম, দুগ্ধজাত খাবার, বাদাম, শাকসবজি ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় বাড়াতে হবে যার ফলে পুত্র সন্তান জন্মের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।
পুরুষের শরীরের তাপমাত্রা- পুরুষের শরীরের তাপমাত্রা যদি একটু বেশি থাকে, তাহলে পুত্র সন্তান জন্মের সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি থাকে ।
এছাড়াও প্রতিবার সঙ্গমের আগে স্বামীর , খুব কড়া ২/৩ কাপ ক্যাফেইন ড্রিংকস ( চা , কফি ইত্যাদি ) পান করা। স্বামীকে সঙ্গমের ১০/১২ দিন আগে থেকেই হস্তমৈথুনের মাধ্যমে বির্যপাত না ঘটানো , দৌঁড়-ঝাপ, ফুটবল , টেনিস , অনেকদুর সাইকেল চালানো ইত্যাদি শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করা থেকে বিরত থাকা এবং ঢিলেঢালা সুতির পোষাক পরিধান করা ও টেনশন মুক্ত থাকা বাঞ্চনীয়।
See lessজরায়ু টিকা কেন দেয়া হয় ?
জরায়ুমুখ ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রতিরোধ করার জন্য জরায়ু টিকা {হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি)} টিকা দেয়া হয়।
জরায়ুমুখ ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রতিরোধ করার জন্য জরায়ু টিকা {হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি)} টিকা দেয়া হয়।
See less